অপরাধী

১!!

স্ত্রী কে খুন করতে চাওয়ার অপরাধে গ্রেফতার করা হয় সজীব কে। অফিস শেষে ফ্লাটে ফিরেই দেখে ফ্লাটের সামনে অনেক জটলা।  প্রথমে খুব ঘাবড়ে যায় সজীব,  পরে সাহস নিয়ে জিজ্ঞেস করে পুলিশ কে,

•             “ কি হয়েছে এখানে?  এতো ভীড় কিসের জন্য?”

•             “ আপনি কে? ”

 পুলিশের এমন প্রশ্নের জবাবে সজীব প্রচুর ঘামতে শুরু করে।  এরপর একটু শান্ত হয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে বললো,

•             “ আমি সজীব আহমেদ,  এটা আমারই ফ্লাট।  ”

•             “ ও,  বুঝেছি! আমরা ভাবছিলাম আপনি হয়তো স্ত্রীকে খুন করে পালিয়ে যাবেন।  কিন্তু না, আপনার সাহস আছে বটে।  ”

•             “ কি যা তা বলছেন? আমি কিসের জন্য আমার স্ত্রী কে খুন করতে যাবো? ”

•             “ আপনার স্ত্রী গত দুইদিন আগেই থানায় সাধারণ  ডায়েরী করে রেখেছিলো।  উনার উপর আপনি হামলা করতে পারেন।  আর এখন যখন উনি মারা গেছেই,  আর কোনো প্রশ্ন ই থাকেনা, যে আপনি খুন করেছেন।  ”

সজীব ঘর্মাক্ত মুখ মুছে ফেলে, রেগে যায় অনেক । এরপর চিৎকার দিয়ে বললো,

•             “ আমি খুন করেছি তার কোনো প্রমাণ আছে আপনার কাছে?  প্রমাণ আনুন আগে,  তারপর দোষারোপ করবেন। ”

•             “ দুইটা ডান্ডার বাড়ি পড়লে এমনিতেই স্বীকার করবি।  পুলিশের মুখে মুখে তর্ক করিস,  তোকে এর শাস্তি পেতেই হবে।  ”

পুলিশ সুপার আজমতের আদেশে কনস্টেবল এরেস্ট করে সজীব কে।  এরপর কয়েকটা দিন পার হয়,  সজীবের রিমান্ডের আদেশ হয়। 

২!!

গোয়েন্দা পুলিশ রাজের সামনে বসে আছে সজীব।  রাজ খুব রাগী কিন্তু দক্ষ গোয়েন্দা,  সব খুনের আসল রহস্য বের করা রাজের কাজ।  রাজ খুব ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করলো,

•             “ কেনো খুন করলেন মিস সাইমা কে? ”

•             “ সাইমার সাথে আমার তিন বছর এফেয়ার ছিলো,  এরপর পারিবারিকভাবে ওকে বিয়ে করি।  বিয়ের পর ওর প্রতি আমার ভালোবাসা টা অনেক বেড়ে যায়।  ঘুম থেকে উঠে ওর ঘুম ভাঙানো,  কফি বানিয়ে দুজনে একসাথে পান করা, নাস্তা রেডি করে একসাথে খাওয়া,  অফিস থেকে ফিরে প্রায়ই বিকেলে হাঁটতে যাওয়া,  রাত্রে একে অপরকে কোল বালিশের মতো জড়িয়ে রাখা।  জাস্ট প্রতিটি মুহুর্ত যেনো স্বপ্নের মতো কাটছিলো।  ”

সজীব একটু থামে,  দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।  এরপর আবার বলতে শুরু করলো,

•             “ বিয়ের একবছর পর ও কন্সিভ করে,  বাচ্চাটাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি আমি।  বাবা হবার অন্যরকম অনুভূতি আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিলো।  কিন্তু সাইমার আচরণ চেঞ্জ হতে শুরু করে।  আমার ভালোবাসাগুলো ওর বিরক্তি প্রকাশের মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।  ”

•             “ যেমন? ”

•             “ আমি ভোরে ওর ঘুম ভাঙালে অতিরিক্ত রেগে যেতো,  আমার বানানো খাবার খেতোনা! বলতো বিষ আছে।  ”

•             “ এরজন্য খুন করলেন? ”

•             “ কখন বললাম আমি সাইমাকে খুন করেছি? ”

•             “ ওকে,  এরপর… ”

•             “ গত ১০ দিন আগে অফিস শেষে বাসায় ফিরে জানলাম সাইমা এবোরশন করিয়েছে।  আমার বাচ্চাটাকে পৃথিবীতে আসার আগেই মেরে ফেলেছে সাইমা। আমি অতিরিক্ত ভেঙে পড়ি সেদিন , সাইমার গালে থাপ্পড় দিয়ে বসি।  তাঁকে জিজ্ঞেস করি,  কেনো সে আমাদের সন্তান কে হত্যা করেছে? প্রতি উত্তরে সে বলেছিলো,  তার পেটে সে বাচ্চা রাখবে কি রাখবে না সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার।  সেদিন সাইমার পায়ে ধরে বলেছিলাম,  কেনো মারলে ওকে,  তুমি না চাইলে আমি ওকে নিয়ে তোমার থেকে আলাদা হয়ে যেতাম!  কেনো হত্যা করতে গেলে ওকে? সে কোনো জবাব দেয়নি।  পাশ ফিরে শুয়ে পড়েছিলো।  ”

•             “ও মাই গড,  এরপর? ”

•             “ রাতে ঘুমানোর পরে মাঝরাতে ঘুম ভাঙে কথা বলার শব্দে।  আমার ঘুম খুব গাড়,  অন্যদিন ক্লান্ত থাকার জন্য গভীর ঘুমে কিছুই টের পেতাম না।  কিন্তু সেদিন ডিপ্রেশনের জন্য বুঝতে পারি সাইমা অন্যকারো সাথে হেসে হেসে কথা বলছে।  ভালোভাবে বোঝার জন্য আড়ি পেতে শুনি ।  বুঝলাম সাইমা কারো সাথে প্রেম করছে।  আমি বোকার মতো সাইমার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়,  সাইমা হতভম্ব হয়ে ওঠে।  ফোন কেটে দিয়ে রাগী কণ্ঠে বলেছিলো,  এই জানুয়ারের বাচ্চা তুই আমার সামনে কি করিস?  এক্ষুণি যা চোখের সামনে থেকে নইলে জানে মেরে ফেলবো।  ”

সজীব থেমে যায়,  এরপর রাজের দিকে তাকিয়ে বললো,

•             “ পানি হবে এক গ্লাস…. ”

রাজ এগিয়ে দেয়,  সজীব পুরো বোতল খালি করে দেয়।  এরপর আবার বলা শুরু করে, 

•             “  সাইমার এমন আচরণ সহ্য করতে না পেরে সাইমার পেটে লাত্থি দিয়ে বলেছিলাম,  তুই আমার বউ হয়ে পরকীয়া করিস আবার তুই বড় বড় কথা বলিস।  এরপর কয়েকটা থাপ্পড় দিয়ে বেরিয়ে আসি নিজের রুমে।  পরেরদিন অফিসে মন বসাতে পারিনি,  খুব চিন্তা হচ্ছিলো আমার। কার জন্য সাইমা এইভাবে ধোঁকা দিলো আমাকে? ”

•             “ এরপর কি করলেন? ”

•             “ সাইমার খোঁজ নেওয়া শুরু করি,  কিন্তু কারোর সন্ধান পাইনি।  বাধ্য হয়ে উকিলের সাথে কথা বলে ডিভোর্স পেপার রেডি করতে বলি।  ৯ দিন সাইমার সাথে একই বাসায় থাকতাম ঠিকই কিন্তু কথা বলতাম না।  এটাই বড় ভুল হয়ে গেছে,  তাই আজ জেলে বসে আছি।  ”

•             “ তারমানে বলতে চাচ্ছেন সাইমাকে আপনি খুন করেন নি!  অথচ ঘটনার দিন আপনি দুপুর বেলা অফিস থেকে ছুটি নেন।  এরপর বাসায় প্রবেশ করেন,  সিসিটিভি ফুটেজ সেটাই বলছে।  এক ঘন্টা পর আবার বের হয়ে আসেন,  ঠিক অফিস টাইমের পর আবার বাসায় আসেন।  প্রমাণ বলে দিচ্ছে আপনি খুনী।  ”

সজীব খুব ঘাবড়ে যায়, 

•             “ হ্যাঁ আমি বাসায় গিয়েছিলাম,  ডিভোর্স পেপার সাইমার বেডে রেখেই চলে এসেছিলাম।  ”

•             “ দরজা ভিতর থেকে লাগানো ছিলো কিভাবে?  ”

•             “ আমাদের ফ্লাটের দরজা আমি আর সাইমা ছাড়া যেনো কেউ খুলতে না পারে সেইজন্য দরজায় রিমোর্ট সিস্টেম করে নিয়েছিলাম।  রিমোর্ট চাপ দিলেই দরজা ভিতর থেকে লক হয়ে যেতো।   ”

•             “ তাহলে খুন করে সহজেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন! ”

•             “ তার আগে বলুন ,  আপনারা কিভাবে জানলেন বাসার ভিতরে লাশ আছে, আর লাশ দেখার জন্য দরজা ভেঙে ঢুকে পড়লেন? ”

রাজের মাথায় প্রশ্নটা চক্কর দিয়ে উঠে,  সত্যিই তো কে খবর দিলো! রাজ সজীবের সামনে থেকে চলে আসে।  ন্যায়বিচার করতে হলে কেস নিয়ে আরোও তদন্ত করতে হবে তাকে।

৪!!

রাজ বসে আছে দেশের রাষ্ট্রপতি কামরুজ্জামান এর বাড়িতে। গোয়েন্দা পুলিশ হওয়ায় ঢুকার পারমিশন পেয়েছে রাজ।  এক ঘন্টা বসে থাকার পর রাষ্ট্রপতির সু-পুত্র মনিরুজ্জামান ওরফে মনির প্রবেশ করে। 

মনির খুব বিরক্তি  নিয়ে বললো,

•             “ এতো সকাল সকাল আমার কাছে  কি চান?  ”

•             “ বেলা ১২:৩৯ বাজে,  আপনি বলছেন সকাল! ”

•             “ প্যাচাল পাড়বেন না,  যা বলতে এসেছেন বলেই উড়াল দেন।  ” উচ্চস্বরে হেসে উঠে মনির।

•             “ সাইমা কে চিনেন?  ”

•             “ কোন সাইমা?  কতো সাইমা এলো গেলো,  কার কথা বলছেন আপনি? ”

•             “ ভার্সিটিতে দল করতে গিয়ে যাকে চার বছরে কমসে কম চারশোবার প্রপোজ করেছিলেন,  প্রতিবারই রিফিউজড হন।  ”

•             “ মুখ সামলে কথা বল!  জানিস আমি কে? না জানলে আর কাউকে জিজ্ঞেস করে আয়।  ”

•             “ আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি,  আপনি নন।  যাই হোক, সাইমা মারা গেছে জানেন?  ”

•             “ মরলে মরছে,  তাতে আমার কি? ”

রাজ তাড়াতাড়ি কথা শেষ করে বেরিয়ে আসে।  যা বোঝার বোঝা হয়ে গেছে তার,  মুচকি হাসি রাজের মুখে ফুটে উঠে। 

৫!!

মিডিয়ায় তোলপাড় উঠে গেছে,  ১০ দিন আগে খুন হওয়া সাইমা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপতি পুত্র মনিরুজ্জামান কে গ্রেফতার করা হয়েছে।  একজন গোয়েন্দা পুলিশের তরফ থেকে এই মামলাটি করা হয়।  ইতিমধ্যে কামরুজ্জামান ঘোষণা দিয়ে দেয় যে তার ছেলের উপর মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। 

রাজ জনসম্মুখে একটা মেয়েকে হাজির করে।  মেয়েটার বোরখা খুলতেই সবাই যেনো চমকে উঠে,  এতো সেই সাইমা যাকে হত্যা মামলায় তার স্বামী জেলে আছে। 

সাইমা এবার নিজেই বলা শুরু করে,

•             “ আপনারা ঠিকই দেখছেন,  আমিই সাইমা।  আজ থেকে ৫ বছর আগে শুরু হয় মনিরেএ অত্যাচার। রাস্তায়, কলেজে , সব জায়গায় প্রেম প্রস্তাব দিতো।  সে নাকি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসে,  তাই তুলে নিয়ে যাচ্ছেনা।  আমি চার বছর অনেক অত্যাচার সহ্য করে ভার্সিটি লাইফ শেষ করি।  ভেবেছিলাম মুক্তি পাবো। সজীবের বাসা আমাদের বাসার কাছেই। ছোট থেকেই পছন্দ করতাম,  তিন বছর প্রেম করে বিয়ে করি ভার্সিটি লাইফ শেষে।  এক টা বছর সুখেই ছিলাম সজীবের সাথে,  কিন্তু সুখ বেশি দিন হয়নি আমার।

একদিন মার্কেটে মনির আমাকে দেখে ফেলে,  জোর করে তুলে নিয়ে যায় আমায়।  আমি তখন প্রেগন্যান্ট ছিলাম। মনিরের পায়ে ধরে বলেছিলাম,  সজীব কে ছেড়ে দেব।  কিন্তু রেপ যেনো না করে আর সজীবের যেনো ক্ষতি না করে। মনির শর্ত দেয়,  সজীবের কোনো ক্ষতি করবেনা কিন্তু আমাকে বাচ্চা এবোরশন করতে হবে।  ফিরে এসে সজীবকে ইগনোর করা শুরু করি,  বাচ্চা এবোরশনের ডেট পেছাতে থাকি।  অবশেষে এবোরশনও করিয়ে নিই।  সজীব কে রক্ষা করতে নিজের সন্তান কে হত্যা করে আমি পাপী হয়ে গেছি।

অতঃপর মনির আমাকে দিয়ে মিথ্যা বলিয়ে নেয় যে, সজীব আমাকে খুন করতে চায়। মনিরের কথা মতো দুইদিন পর মনিরের বাড়িতে গিয়ে উঠি, পরপরই শুনতে পাই সজীব আমাকে খুন করার অপরাধে গ্রেফতার।  তখনই পালিয়ে আসার প্লান করি,  আর মিঃ রাজ কে দেখার পর উনাকে ইশারায় বলে দিই। তাই আমি আজ আপনাদের সামনে। 

প্রশ্নের ঝড় উঠে,  তাহলে কে ছিলো সেদিন লাশের স্থানে?   রাজ মুচকি হেসে বললো,

•             “ এটা কোন লাশ ছিলো না,  সাইমার মুখের  আকৃতি তে বানানো একটা পুতুল ছিলো মাত্র।  যা সজীবকে ফাঁসানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিলো।  আর পুলিশ ও ডক্টরকে টাকা দিয়ে হাত করে নেয়।  মিথ্যা নাটক করে সাইমার লাশ নামের পুতুল দাফনের দুইদিন পর কবর খুড়ে পুতুল বের করে নেয়।  নাটকটা দারুণ ছিলো,  রাষ্ট্রপতির ছেলে বলে কথা। 

৭!!

কামরুজ্জামান এর মাথা প্রচণ্ড খারাপ,  রেগে আগুন হয়ে আছেন। রেপুটেশন খারাপ হচ্ছে অপদার্থ ছেলের জন্য ।  ফোনের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন, কখন সঙ্গীরা ফোন দেয়।  অবশেষে ফোনে রিং হচ্ছে,  রিসিভ করেন কামরুজ্জামান,

•             “ বস কাজ শেষ,  মনিরকে নিজ হাতে বিষ খাইয়ে মেরেছি।  পুলিশ তো আমাদের পক্ষে,  জনতাও আপনাকে এখন সমবেদনা জানাবে।  ”

কামরুজ্জামান ফোন কেটে দেয়,  মনে মনে খুব শান্তি পাচ্ছেন।  টিভি অন করে ব্রেকিং নিউজ দেখতে শুরু করেন। “ জনদরদী রাষ্ট্রপতি কামরুজ্জামান এর ছেলে মনিরুজ্জামানের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।  ”

আহা!  কি নিউজ চ্যানেল,  কিছুক্ষণ আগেই মনিরের অপকর্মের জন্য আমাকে ধুয়ে দিচ্ছিলো,  আর এখন!  শোকাহত।  যাই হোক মনির তো আর আমার ছেলে নয়, পালিত ছেলে।   মরছে তো কি হয়েছে, আমার নিজের ছেলে আসাদুজ্জামান তো আছে।  হা হা হা  …

৮!!

সজীব  আইনের জটিলতা কাটিয়ে ফিরে আসে সাইমার কাছে। রাজ নিজে সজীব আর সাইমার দেখা করিয়ে দেয়।  সাইমা সজীব গভীর আবেগে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে  কিছুক্ষণ কাঁদে।  কে জানতো,  এটাই হবে তাদের শেষ দেখা।  গোটা ফ্লাট ব্লাষ্ট হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে।  দুটো ভালোবাসার মানুষ মুহুর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায়, বিলীন হয়ে যায় তাদের অস্তিত্ব।  বিলুপ্ত হয়ে যায় সৎ গোয়েন্দা অফিসার। 

কামরুজ্জামানের মুখে বাঁকা হাসি,  পালিত ছেলে হলে কি হবে,  মায়া পড়ে গিয়েছিলো মনিরের উপর।  যাদের জন্য ছেলেকে হারিয়েছেন তাদের পৃথিবী থেকে উড়িয়ে দিতে পেরে মহা আনন্দে সেলিব্রেট করতে শুরু করেন। 

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পৃথিবী থেকে ভালো মানুষগুলোকে সরিয়ে দিতে পারলে আনন্দের সীমা থাকেনা।  অথচ পরকালে যে সব পাপের জন্য হিসাব দিতে হবে,  সেটা আমরা সবাই ভুলে যাই।  আসুন না ক্ষমতার অপব্যবহার না করে সেটার ভালো ব্যবহার করি।  কোন মানুষের ক্ষতি করার কি দরকার?  তার চেয়ে বরং পাপের জন্য তওবা করি।  পৃথিবীটা কে আরোও সুন্দর করে গড়ে তুলি।  আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

“অতঃপর যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু। [ সূরা নাহল ১১৯ ]”

পাপাচার থেকে মুক্ত হই,  নতুন পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য সবার সাহায্য কাম্য। 

সমাপ্ত

[এই গল্পের সব চরিত্র, বাস্তবতা, প্রেক্ষাপট কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তারপরও যদি কারও সাথে বা কোন ঘটনার সাথে মিলে যায় সেটা হবে কাকতালীয়- লেখক]

আরো পড়ুন: ফুপির বিয়ে